বর্ষায় যে ১০ অসুখ থেকে সাবধান থাকা উচিত


প্রতিদিন প্রায় এক ঘণ্টা আকাশ ভেঙে বৃষ্টি হচ্ছে। ভ্যাপসা গরম থেকে বৃষ্টি স্বস্তি দিলেও জমা পানি, ঠান্ডা লাগা, জ্বরের মতো সমস্যাও বাড়ছে। বৃষ্টি যতই উপভোগ করুন, বর্ষায় রোগের হাত থেকে সাবধান থাকতেই হয়। জেনে নিন যে রোগগুলো বর্ষায় সবচেয়ে বেশি হয়।
১. ম্যালেরিয়া: বর্ষায় সবচেয়ে বেশি যে রোগ দেখা যায় তা হল ম্যালেরিয়া। বর্ষার জমা পানি থেকে মশাবাহিত রোগ ম্যালেরিয়া বাচ্চা থেকে বড় সকলেরই হতে পারে। এই ম্যালেরিয়ায় যদি ম্যালিগন্যান্ট হয়ে যায় তা থেকে মৃত্যুও হতে পারে।
২. ডেঙ্গু: ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু। বর্ষায় আমাদের দেশে ডেঙ্গুর প্রভাবে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। অতিরিক্ত জ্বর, গায়ে ব্যথা, দুর্বলতা, র‌্যাশ বড় সমস্যা ডেকে আনতে পারে।
৩. ডায়রিয়া: বর্ষায় বাইরের খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভাল। বাইরের খোলা খাবার, অপরিশোধিত পানি থেকে ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ে। শিশুদের ডায়রিয়া থেকে ডিহাইড্রেশন হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
৪. চিকুনগুনিয়া: সংক্রমিত অ্যাডিস অ্যালবোপিকটাস মশার কামড়ে চিকুনগুনিয়া হয়। বর্ষার জমা পানিতে এই মশা ডিম পাড়ে ও দিনের আলোয় কামড়ায়।
৫. টাইফয়েড: সালমোনেলা টাইফোসা ভাইরাসের প্রকোপ বর্ষা কালে খুব বেড়ে যায়। অপরিশোধিত পানি, অপরিচ্ছন্ন পানি থেকে টাইফয়েডের সংক্রমণ ছড়ায়। দীর্ঘ সময় তাপমাত্রা না নামলে টাইফয়েড থেকে হয়ে যেতে পারে বড়সড় ক্ষতি।
৬. ভাইরাল ফিভার: যে কোনও মরসুমেই ভাইরাল ফিভার হতে পারে। তবে বর্ষায় ভাইরাল ফিভারের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি হয়। জ্বর, গায়ে ব্যথা, দুর্বলতার সঙ্গে এই জ্বর ৩-৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
৭. কলেরা: পরিচ্ছন্নতার অভাব ও দুর্বল হাইজিনের কারণে খাবার, পানি সংক্রমিত হলে দ্রুত হারে ছড়িয়ে পড়ে কলেরা। কলেরা ভয়াবহ আকার ধারণে করলে তা প্রাণঘাতীও হতে পারে।
৮. লেপ্টোসিরোসিস: এই রোগ ওয়েইল’স সিন্ড্রোমা নামে পরিচিত। সংক্রমিত পশুদের প্রস্রাবের মাধ্যেম পানি, মাটি থেকে মানুষের শরীরে সংক্রমণ ছড়ায়। মাথা যন্ত্রণা, জ্বর, প্রদাহ এই রোগের লক্ষণ।
৯. জন্ডিস: বর্ষায় অপরিশোধিত পানি থেকে হেপাটাইটিস ভাইরাসের সংক্রমণ হয়। হেপাটাইটিসের সংক্রমণে রক্তের বিলিরুবিনের মাত্রে বেড়ে গিয়ে জন্ডিস দেখা দেয়। এই সময় বাইরের পানি ভুলেও খাবেন না।
১০. ইনফেকশন: বর্ষায় রাস্তার খোলা খাবার থেকে গ্যাস্ট্রোএন্টারাইটিস বা পেটের ইনফেকশনের সমস্যা আকছারই হয়ে থাকে।

যৌন ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাবার খাবেন

ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাবার খাবেন

স্বাস্থ্যকর এবং সুখী যৌ’ন জীবন প্রত্যেকেই চায়। তারপরও কারও কারও দাম্পত্য জীবনে যৌ’ন স’মস্যা রয়ে য়ায়। অনেকের ক্ষেত্রেই এর পরিণতি ঘটে বিচ্ছে’দে। যৌ’ন অক্ষ’মতা যেমন- কম বী’র্যপাত, অকাল বী’র্যপাত এবং দম্পতিদের মধ্যে সে’ক্স ড্রাইভের অভাব ইত্যাদি স’মস্যাগুলো বর্তমানে খুব গভীর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই স’মস্যাকে কা’টিয়ে উঠতে অনেকেই নানান রকম ওষুধ সেবন করে থাকেন।

তবে এসব ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা সম্ভব না। শারীরিক যৌ’ন অ’ক্ষমতাকে দূর করতে বরং এমন কিছু প্রাকৃতিক খাবার খান যা আপনার যৌ’ন ক্ষমতা বা ইচ্ছাকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। এসব খাবার শরীরে বিভিন্ন পুষ্টি পূরণের পাশাপাশি যৌন অক্ষমতাকে সক্ষম করে তুলতে খুবই উপকারী। চলুন এবার জেনে নিন সেসব খাবারের তালিকা…

দুধঃ যৌ’ন ক্ষমতাকে ধরে রাখতে দুধের গুরুত্ব অপরিসীম। এতে থাকা প্রাণিজ-ফ্যাট যৌ’ন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক। শরীরে সে’ক্স হরমোনের পরিমাণ বাড়াতে চাইলে বেশি পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। যেমন-খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। তবে এই ফ্যাট জাতীয় খাবারগুলো যেন হয় প্রাকৃতিক ও স্যাচুরেটেড যুক্ত ফ্যাট। বিশেষ করে ছাগলের দুধ পুরুষের যৌ’ন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

এলাচঃ এলাচকে বলা হয় রোমান্টিক মশলা। কারণ এতে অ্যাফ্রোডিসিয়াক বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি যৌ’ন ইচ্ছা বাড়াতে সাহায্য করে। এলাচের তেলের ম্যাসাজ রোমান্টিকতা বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়াও চা এবং কফি হিসেবে এলাচ খাওয়া পু’রুষত্বহীনতা দূর করতে উপকারী।

ব্রকোলিঃ অনেকেই খেতে পছন্দ না করলেও সবজির মধ্যে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও উপকারী সবজি হলো ব্রকোলি। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকে, যা জ’ননা’ঙ্গে র’ক্ত প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখে। কারণ ভিটামিন সি শরীরে বয়ে চলা র’ক্তস্রোতের ধারাকে বজায় রাখে। যৌ’ন মুহূর্তে অঙ্গে র’ক্তস্রোতের অবাধ প্রবাহকে বহাল রাখতে ব্রকোলি খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

কলাঃ কলায় থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম, যা মানবদেহের যৌ’নক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। এতে থাকা ব্রোমেলাইন নামক এনজাইম মেল সেক্স হরমোন টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং পুরুষদের মধ্যে কা’মশক্তি বাড়ায়। পটাশিয়াম ও ভিটামিন শরীরে র’ক্ত সঞ্চালনার মাত্রাকে বৃদ্ধি করে এবং দেহের শক্তির স্তরকে বাড়িয়ে তোলে।

ডিমঃ যৌ’ন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী খাবার হলো ডিম। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে যা হরমোনের মাত্রাকে ঠিক রাখতে এবং মানসিক চা’প কমাতে সাহায্য করে। রোজ সকালে একটা করে ডিম খেলে শরীরিক শক্তি ও যৌ’ন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

মধুঃ মধু হলো হাজারো ফুল ও দানার নির্যাস, যা যৌ’ন ইচ্ছাকে বৃদ্ধি করতে এবং যৌ’বনকে ধরে রাখতে খুবই উপকারী ও শ্রেষ্ঠ উপাদান। তাই সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন সকালে ১ চামচ করে মধু খান।

রসুনঃ বহুকাল থেকেই যৌ’ন স’মস্যা মেটাতে রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে। সুতরাং আপনারও যদি যৌ’ন স’মস্যা থেকে থাকে তবে রোজ ১ কোয়া করে রসুন খাওয়া শুরু করুন। রসুন নারী ও পুরুষ উভয়েরই যৌ’ন উদ্দীপনাকে বাড়াতে এবং জননা’ঙ্গকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও রসুনে থাকা অ্যালিসিন যা যৌ’ন অ’ঙ্গগুলোতে র’ক্ত প্রবাহের মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখে।

ঝিনুকঃ যৌ’ন ক্ষমতাকে ধরে রাখতে এবং যৌ’নজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খুবই উপকারী খাদ্য। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও জিঙ্ক যা শু’ক্রাণুর সংখ্যাকে বৃদ্ধি করে এবং যৌ’ন-ইচ্ছাকে বাড়িয়ে তোলে। একটি সমীক্ষায় জানা গেছে, রোমানরা প্রতিদিন সকালে ৫০টি করে কাঁচা ঝিনুক খায়।
ডার্ক চকোলেটঃ ডার্ক চকোলেট একটি সুপরিচিত অ্যাফ্রোডিসিয়াক যা যৌ’ন উ’দ্দীপনাকে বাড়িয়ে তোলে। এতে থাকা ফেনিলেথ্যালামাইন উপাদান এই উ’দ্দীপনাকে বাড়াতে সাহায্য করে। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি যা যৌ’ন ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। তাই রোজ ১ থেকে ২ টুকরো ডার্ক চকোলেট খাওয়া অভ্যাস করুন।
বিট ও গাজরঃ প্রাকৃতিক উপায়ে জননা’ঙ্গের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে প্রতিদিন বিট ও গাজর খান। বিটে থাকে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট যা পুরুষা’ঙ্গের র’ক্তনালীগুলো প্রসারিত করে। আর গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকার ফলে এটি শু’ক্রাণুর পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রাকে বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবারঃ সে’ক্স হরমোনগুলো ঠিকমতো কাজ করার জন্য কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বাদাম বা বীজ জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা শরীরে কোলেস্টেরল তৈরিতে সাহায্য করে। বীজ জাতীয় খাবার যেমন- কুমড়োর দানায় থাকে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক যা সেবনে প্রস্টেট গ্ল্যান্ড সুস্থ থাকে। পাশাপাশি শু’ক্রাণু তৈরি করে এবং টেসটোস্টেরন হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। তাই যৌ’ন জীবন সুস্থ রাখতে রোজ কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত সঙ্গমের অভাবে যৌনাঙ্গে ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে নারীর

যৌনাঙ্গে ক্ষতি

প্রাথমিকভাবে, বেশি সঙ্গম না করা আপনার কাছে ভালো লাগতে পারে। কিন্তু নিয়মিত সঙ্গীর সঙ্গে ভালবাসার আদান প্রদান এবং শারীরিক সম্পর্কই ভয়ঙ্কর ভেজাইনার (স্ত্রী যোনি) রোগ থেকে রেহাই দিতে পারে নারীকে। জানলে অবাক হবেন, এই সংক্রমণগুলো ছোঁয়াচে কিংবা যৌন সম্পর্কের কারণে হচ্ছে না। কেবলমাত্র সঙ্গমের প্রতি আগ্রহ কম থাকার জন্যই আক্রান্ত হচ্ছে ভেজাইনা।

যেমন ধরুন, চুলকানী, সাদাস্রাব, জ্বালাপোড়া, অস্বস্তি, এবং সঙ্গমের সময় ব্যথা অনুভব করাসহ নানা রকম যৌন রোগের লক্ষণ। এমকি ভেজাইনাল এট্রপিতে (যোনি রোগ) আক্রান্ত হয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। যার ফলে যৌনাঙ্গের ত্বক শক্ত হয়ে যায়, শুকিয়ে যায়, ভেজাইনাল টিস্যুতে দেখা পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব।

তবে এটি যে কোনো বয়সের নারীদেরই হতে পারে। বিশেষ করে যারা মেনোপজ সময়ে নিজেদের পার করছেন তাদের ক্ষেত্রে বেশি হতে পারে। কেননা মনোপজের সময় শরীরে স্ত্রী হরমোন উৎপাদন হওয়ার বেশ ঘাটতি দেখা দেয়। এদিকে যারা স্তন ক্যান্সারের হরমন চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদেরও ভেজাইনাল এট্রপিতে ভুগতে দেখা যায়।

এ সম্পর্কে ইংল্যান্ডে বসবাসকারী ডঃ লুইজ মাজান্টি নামের একজন সেক্স থেরাপি বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘সুস্থ জীবনযাপনের জন্য অবশ্যই সুস্থ শারীরিক সম্পর্কের প্রয়োজন। কেবল মাত্র অনুভূতির জন্য সঙ্গমের দরকার, ব্যাপারটি আসলে তা নয়। শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গের টিস্যুকে সতেজ রাখা, রক্তের স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখা, আঁটসাঁট করে থাকা মাংসপেশিকে শিথিল রাখার জন্য নিয়মিত রতিক্রিয়ায় লিপ্ত হওয়া প্রয়োজন।’

সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

 

সিজারে বাচ্চা নেওয়ার – এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মেডিক্যালএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় । আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সিজার কোন চিকিৎসক করবে ?

উত্তরে জানায় ,

নরমাল ডেলিভারি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সিজারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছুরি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমাদের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না ! অর্থের লোভে প্রত্যেক গর্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সিজারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় ! মৃত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে ।

আমার দেশে বর্তমান সিজারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মারা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জন্ম নেওয়া শিশুটির । সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অসুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন, যা নরমালে হওয়া বাচ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজারে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু ।

এই ছারাও সিজার অপারেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ রক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় । সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সিজারে বাচ্চা নেওয়া ! যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে নীরবে, চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন নারীর পেট কাঁটা বিজনেস ।

ব্রণের জন্য কিছু প্রাকৃতিক ফেস ওয়াশ

ব্রণের জন্য কিছু প্রাকৃতিক ফেস ওয়াশ

➣উপটান ১চা চামচ, কাঁচা হলুদ বাটা ১ চা চামচ ,তাজা নিম পাতা বাটা, লেবুর রস বা কমলা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান। আপনি চাইলে একটু বেশি পরিমাণে নিয়ে করতে পারেন এবং ৩/৪ দিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রেখে ব্যবহার করা যাবে। প্রতিবার মুখ ধোয়ার সময় অল্প পরিমাণে নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি মাত্র ৭ দিন ব্যবহার করলে আপনার মুখের ব্রণ থেকে মুক্তি পাবেন।

➣কাঁচা দুধ ,হলুদ গুঁড়া ,অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে ৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ত্বকের কোমলতা বাড়বে এবং সেই সাথে ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করবে।

➣১ চা চামচ উপটান, ১ চা চামচ মধু, ১ চা চামচ লেবুর রস, এবং ১ চা চামচ গোলাপ জল এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। দিনে ৩ বার ব্যবহার করতে হবে। আপনি চাইলে এই মিশ্রণটি ৩/৪ দিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন। এই ফেস ওয়াশটা প্রাকৃতিক ফেস ওয়াশ এর মধ্যে অন্যতম।

➣১/২ চা চামচ আলু কুচি, ১/২ চা চামচ শশা কুচি, ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা, ১ চা চামচ টক দই ও ১ চা চামচ পুদিনা পাতা দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের কালচে ভাব দূর করার সাথে সাথে মুখে আনবে লাবণ্যতা ।

➣পুদিনা পাতা ১ চা চামচ, দারুচিনি ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মধু ১ চা চামচ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ৩/৪ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি ৪/৫ ব্যবহারের করলেই ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

উপরোক্ত ফেস ওয়াশ গুলো অবশ্যই প্রতিদিন ৩ বার ব্যবহার করতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনার মুখের ত্বক পরিষ্কার করতে হবে কারণ আপনার মুখে সারা রাত ধরে অনেক তেল জমা হয়ে থাকে আর এ থেকেও ব্রণের সৃষ্টি হয়।আর হ্যাঁ মনে করে বাইরে থেকে এসে সাথে সাথে মুখে ফেস ওয়াশ করে ফেলবেন বাইরের ধুলোবালি থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাবেন। অবশ্যই ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার মুখের ত্বক পরিষ্কার করতে হবে, কারণ এই সময়ে ত্বক পরিষ্কার না করলে সারা রাত ধরে আপনার মুখে রোগ জীবাণু বহন করে ব্রণের উপদ্রব বাড়িয়ে দেবে। এভাবে ত্বক পরিষ্কার পরিছন্ন রাখলে কিছু দিনের মধ্যে আপনি পাবেন ব্রণ মুক্ত লাবণ্যময় চেহারা।

কাঁচা রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতা

 

১) জ্বর ঠোসা
জ্বর হলে, বিশেষ করে রাতে জ্বর হতে থাকলে ঠোঁটের কোণে জ্বর ঠোসা অনেকেরই হয়। আর এতে মারাত্মক ব্যথাও হয়। জ্বর ঠোসা সারাতে কাঁচা রসুনের রস আক্রান্ত স্থানে লাগান। ব্যথা কমবে আর সেরেও যাবে দ্রুত।

২) ব্রণ
দ্রুত ব্রণ সারাতে বা ব্রণের ব্যথা কমাতে আক্রান্ত স্থানে কাঁচা রসুন বা কাঁচা রসুনের রস লাগান। দ্রুত নিরাময় হবে।
৩) পায়ের চুলকানি
সারাদিন জুতো পরে থাকার পর অনেকেরই পায়ে র‍্যাশ ও চুলকানি হয়। এটা সারাতে উষ্ণ পানিতে রসুন ও সামান্য লবণ দিয়ে পা ভিজিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা। তারপর সাবান ও সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
৪) গলা ব্যথা
দ্রুত গলা ব্যথা নিরাময় করতে এক কোয়া কাঁচা রসুন চুষে চুষে খেয়ে নিন। গন্ধ ভালো না লাগলে এরপর দুধ খেয়ে নিন এক গ্লাস। কাঁচা রসুনের রস এভাবে আস্তে আস্তে খেলে তা গলা ব্যথায় খুবই উপকারী।
৫) ত্বকের সমস্যা
ত্বকের যে কোন সমস্যা যেমন ফোঁড়া বা ফাংগাল ইনফেকশন ইত্যাদি সারাতে রসুন খুবই সহায়ক। কেবল আক্রান্ত সাথে কাঁচা রসুনের রস লাগালেই হবে। ১০/১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলবেন।
৬) হাইপারটেনশন
এই সমস্যা নিরাময়ে রোজ সকালে খালি পেটে কয়েক কোয়া থেঁতো রসুন খেয়ে নিন।
৭) বেশী মাছ ধরতে
মাছ ধরতে খুব ভালোবাসেন? বেশী মাছ ধরার জন্য টোপের মাঝে দিয়ে দিন কাঁচা রসুন। লোভে লোভে প্রচুর মাছ উপস্থিত হবে।
৮) গাছ রক্ষায়
পোকামাকড়ের হাত থেকে গাছ রক্ষায় রসুন দারুণ উপকারী। মিহি থেঁতো করা কাঁচা রসুন, পানি ও সামান্য তরল সাবান একসাথে মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। এটা কিছুদিন পর পর গাছে স্প্রে করুন পোকামাকড় দূরে রাখতে।
৯) আঠা হিসাবে!
রসুন ধরার পর লক্ষ্য করেছেন যে হাত কেমন আঠা আঠা হয়ে যায়? কাগজ সহ ছোট খাট অনেক কাজেই আপনি আঠা হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন রসুন!
১০) নতুন চুল গজাতে
চুল পড়ে যাচ্ছে খুব? মাথায় নতুন চুল গজাতে আক্রান্ত স্থানে নিয়মিত রসুন ঘষুন। সাড়া রাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিনের মাঝেই নতুন চুল গজাবে।

সকালে হাঁটার মাধ্যমে ১৫ টি রোগ সমস্যার সমাধান ও উপকারিতা সমূহ:

সকালে প্রতিদিন ৪০ মিনিটের হাঁটা আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে! ৪০ মিনিটের হাঁটা জিমে ২ ঘন্টার ব্যায়ামের সমান। হাঁটা হলো সবচেয়ে সহজ ব্যায়াম। কারণ ছোট-বড় সবাই হাঁটার অভ্যাস করতে পারে। হাঁটলে বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়বেটিস, স্থুলতা, হৃদরোগ ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকে।

সকালের বাতাসে ধুলাবালি কম থাকে। এটি নার্ভকে আরাম দেয় এবং মন ভালো রাখে। একইসাথে সারাদিন কাজ করার শক্তি ও মনোবল জোগায়।

চলুন দেখে নিই হাঁটলে যে ১৫ অসাধারণ উপকারিতা পাওয়া যায়।

১। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়
২। হার্টকে শক্তিশালী করে
৩। ওজন কমাতে সাহায্য করে
৪। আর্থাইটিস ও অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করে
৫। হৃদরোগ প্রতিরোধ করে
৬। কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ করে
৭। অথেরোসক্লেরোসিস থেকে রক্ষা করে
৮। হাতাশা থেকে মুক্তি দেয়
৯। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়ে ও রক্ষা করে
১০। মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
১১। গর্ভপাতের ঝুঁকি কমায়
১২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
১৩। ক্লান্তি দূর করে
১৪। স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
১৫। ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ায়

লক ডাউন এর ছুটিতে বন্ধু বান্ধবীরা বিয়ে করে নিচ্ছে কিন্তু আপনি কি বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন?

আপনার সুখী দাম্পত্য জীবনের অঙ্গীকার পূরণে ! শতভাগ কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক,হারবাল, ইউনানি চিকিৎসায়
নিশ্চয়তায় আমরা আছি।আপনাদের সাথে হোমিওপ্যাথিক জগতের আলোড়ন সৃষ্টিকারী চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান সমাধান হোমিও হল।

যৌবন ধরে রাখুন আজীবন:আপনার দাম্পত্য জীবন কে করে তুলুন মধুময়।

১.আপনি কি দাম্পত্য জীবন নিয়ে ভাবছেন?

২.আপনি কি অক্ষম?

৩. লিঙ্গের আকার নিয়ে সংকিত?

৪.আপনি বিশেষ সময়ে দুর্বল?

৫.গোপন অঙ্গকে লম্বা, মোটা ও শক্ত করতে চাচ্ছেন?

৬. বীর্য পাতলা হওয়াই দ্রুত পতন হয়ে যায়?


হারানো যৌবন ও পুরুষের শক্তি পুনরুদ্ধারের
চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন,
সেবার দরজা খোলা,
বাংলাদেশ সরকার রেজিস্টার্ডকৃত বিশ্বমানের হোমিওপ্যাথিক ন্যাচারাল চিকিৎসা সেবাগ্রহণ করুন,এবং সুস্থ সুন্দর থাকুন!

ভিপি পার্সেল ও কুরিয়ারে যোগে ওষুধ পাঠানো হয়, সেবা কেন্দ্র: সমাধান হোমিও হল

পাইলস্ ফিষ্টুলা অর্শ্ব গেজ এবং-হাঁপানী শ্বাস কষ্ট, রোগের স্থায়ী চিকিৎসা,
এ ছাড়াও যৌন জনিত যে কোন গোপনীয় সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়।

শ্রেষ্ঠসেবা প্রতিষ্ঠান:

আমাদের সেবা সমূহ :-

দাম্পত্য জীবনে প্রতিশ্রুতি পূরণে কোন সমস্যাই কাম্য নয়। সমস্যা থাকলে তার সমাধানে সংকোচ ভেঙে আমাদের অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এখানে নারী-পুরুষের গোপনীয় রোগের সূচিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
মোবাইল :01738-508800

গোপন সমস্যায় ভুগছেন ? ১মিনিট-একটু- দেখুন খুবই-গুরুত্বপূর্ণঃ

গাছপালা লতা, পাতা, ও বিভিন্ন ওষধি গাছ, হরিনের মৃগনাভী কস্তুরী, আম্বর, জিনসিং, জাফরান, রেগমাহী ইত্যাদীতে মহামূল্যবান ঔষধি গুনাগুন আছে।
সুস্থ থাকুন :- ফোন করে বিস্তারিত জেনে নিন।
প্রবাসী ভাইদের জন্য-ও রয়েছে সুব্যাবস্থা।
১টি সঠিক সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে আপনার জীবন।

বি:দ্র: আপনার কষ্টার্জিত অর্থ বিনষ্ট হওয়ার আগেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন। ভালভাবে ডা: চেম্বার, ডা: এর শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করে নিবেন। ফেইসবুকে বা অসত্য প্রচারনা থেকে এড়িয়ে চলুন।

অক্ষম পুরুষ কে সক্ষম
করাই আমাদের চ্যালেঞ্জ:
১.আপনি বিশেষ সময়ে দুর্বল?
২.৩০/৪০মিনিট সময় স্থায়িত্ব বাড়ান।
৩.লিংগ বড়+মোটা করুন।

ভিপি পার্সেল ও কুরিয়ারে যোগে ওষুধ পাঠানো হয়, :☎01738-508800

আপনার যে কোনো সমস্যায় সরাসরি আমাদের চিকিৎসকের সাথে কথাবলুনঃ
এবং ফোন করুন:☎01738-508800


কখনও কি ভেবেছেন দাম্পত্য জীবনে অশান্তির কারন কি??
আপনি কি কঠিন যৌন রোগে আক্রান্ত??
মিলনে সঙ্গীকে পূর্ন তৃপ্তি দিতে ব্যার্থ??
আপনি কি বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন?

অথবা বিয়ের পর স্ত্রীর কাছে লজ্জা পাচ্ছেন??
স্ত্রী সহবাসে পুরোপুরি অক্ষম বা দুর্বল ???
অতি দ্রুত বীর্যপাত হয়??

বীর্য কী পাতলা পানির মত ???
যৌন রোগে মানসিক ভাবে চিন্তিত???
গোপন অঙ্গ ছোট নিস্তেজতা ও তুলার মতো নরম???
চিকিৎসা ও ঔষধের প্রতি আস্থা বা বিশ্বাস হারিয়েছেন???
দেশী-বিদেশী ঔষধ খেয়ে কোন উপকার পান নাই???
যৌন রোগের সমাধান আছে কি-না তা আর. বিশ্বাস হয় না???
হালকা উত্তেজনায় গোপন অঙ্গের মাথায় মিষ্টির রসের মত পানি আসে???
তাহলে আজই যোগাযোগ করতে ভিজিট করুন

https://somadhanhomeohall.com/


উত্তর একটাই সঠিক জায়গায় পরামর্শ ও চিকিৎসা নিন।স্থায়ীভাবে সুস্থ্য হয়ে সংসার,ধর্ম-কর্ম পালন করুন।
তাহলেই আজেই যোগাযোগ করুন।
আপনার দাম্পত্য জীবনকে সার্থক আর মধুময় করে তুলতে আজই যোগাযোগ করুন!! আমাদের সাথে ফোন তুলুন আর ফোন করুন আমাদের এই নাম্বারে!!কথা বলুন আমাদের বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে । আজ হাজারো যুবক নবজীবন লাভ করেছেন সমাধান হোমিও হল এর চিকিৎসা নিয়ে ।
আজি আমাদের সাথে ফোন করুন আর আমাদের সেবা নিন ,
সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন এবং সুখী আনন্দময় যৌন দাম্পত্য জীবন উপভোগ করুন। ধন্যবাদ !
বিঃদ্রঃ কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের প্রত্যেকটি মানুষের কাছে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার সুফল পৌছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য!
অনুরোধঃ আমরা বাংলা ভাষায় প্রথম অনলাইন কেমিক্যালমুক্ত ন্যাচারাল হোমিওপ্যাথিক হারবাল আয়ুর্বেদিক ইউনানী চিকিৎসার তথ্যকোষ তৈরির উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। এটি সফল করতে আপনাদের সবার সহায়তা প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে আমাদের এই পোস্টটি শেয়ার করে আরও মানুষকে এটি জানতে সহায়তা করুন। ধন্যবাদ।

হোমিওপ্যাথিক ডাইলুশন
রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ
ছাড়া সরাসরি লিকুইড মেডিসিন
নিজে সেবন করা থেকে বিরত থাকুন।

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সরাসরি লিকুইড মেডিসিন ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা সঠিক কাজ নয়।

কয়েক ফোঁটা যদি আপনি প্রতিদিন খেয়ে যান তাহলে ঔষধটি আপনার শরীরে প্রুভিং হয়ে যাবে। এভাবে কয়েক মাস খেলে ঔষধের লক্ষন গুলো আপনার শরীরে দেখা দিবে।
ঔষধ জনিত কৃত্রিম রোগ আপনার শরীরে বাসা বাঁধবে যা সহজে আরোগ্য করা যায়না।

প্রতিটি ঔষধের ১০০থেকে ৫০০০+ লক্ষণ থাকে যা ঔষধটি সুস্থ মানবদেহে পরীক্ষার সময় জানা গিয়েছে। অতএব (সাবধান)

যেকোন সমস্যায় ঔষধ খেতে হলে ১ ফোঁটা অথবা ৪ বড়ি আধাগ্লাস পানিতে মিক্স করে গ্লাস থেকে ২ চা চামুচ তরুন রোগে ঘনঘন ১ /৩/৬ ঘন্টা পরপর খেতে হবে।
আর পুরাতন রোগে প্রতিদিন ১ বার করে ২ /৩/৫ দিন খেয়ে ১ থেকে ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে।

শুধুমাত্র ৫০ সহস্রতমিক পদ্ধতির ঔষধ প্রতিদিন বা ১ দিন পরপর খাওয়া যাবে।


(অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করবেন)